রাজধানীর বনশ্রীর একটি মাদরাসার বাথরুম থেকে মো. আব্দুল্লাহ (১০) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিহাব হোসেন নামে আরেক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যা ৬টার দিকে পাবনার বেড়া উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বেড়া মডেল থানার উপপরিদর্শক মন্তাজ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রামপুরা থানার এসআই একরামুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বুধবার বিকেলে বেড়ায় অভিযান চালায়। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে টাঙ্গাইলে অবস্থান করছিল। পরে তার বাবার মাধ্যমে যোগাযোগ করে তাকে বেড়ায় ডেকে আনা হয়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে বেড়া সিঅ্যান্ডবি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রামপুরা থানার পুলিশ তাকে ঢাকায় নিয়ে যায়। অভিযানে বেড়া থানা-পুলিশ সহযোগিতা করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রামপুরা থানার এসআই একরামুল হক জানান, এ ঘটনায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে বুধবার ওই শিক্ষার্থীকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছে। সেই মামলার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, তার বিরুদ্ধে মাদ্রাসার আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, শিশু শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহকেও ধর্ষণ করা হয়েছিল এবং অপমান ও মানসিক আঘাতে সে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বনশ্রীর সি-ব্লকের ৩ নম্বর রোডে অবস্থিত আলোকিত কোরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসার তৃতীয় তলার বাথরুম থেকে ১০ বছর বয়সী শিক্ষার্থী মো. আব্দুল্লাহর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এম এইচ/














Discussion about this post