চলতি ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি–মার্চ) কমিউনিটি গাইডলাইনস এনফোর্সমেন্ট রিপোর্ট প্রকাশ করেছে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম টিকটক। প্রতিবেদনে নীতিমালা ভঙ্গ করায় বিশ্বজুড়ে এবং বাংলাদেশে টিকটকের কনটেন্ট ও অ্যাকাউন্ট মডারেশনের নানা উদ্যোগ তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশে গাইডলাইন লঙ্ঘনের দায়ে মোট ১ কোটি ৩২ লাখ ১৮ হাজার ৪টি ভিডিও সরিয়েছে টিকটক, যা এই সময়ে দেশে আপলোড হওয়া মোট কনটেন্টের প্রায় ০.৮ শতাংশ। ব্যবহারকারীরা কোনো অভিযোগ করার আগেই এর মধ্যে ৯৯.৬% ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে মুছে ফেলা হয় এবং ৯৪.৪% ভিডিও ডিলিট করা হয়েছে পোস্ট হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। তবে পরবর্তীতে আপিল যাচাইয়ের পর ৩ লাখ ২০ হাজার ৫৯৩টি ভিডিও প্ল্যাটফর্মে পুনরায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে এই সময়ে ১৮ কোটি ৪০ লাখ ১২ হাজার ৫৭৬টি ভিডিও সরানো হয়েছে।
ভিডিওর পাশাপাশি আপত্তিকর কমেন্ট এবং ভুয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধেও কঠোর ছিল টিকটক。 প্রথম প্রান্তিকে বিশ্বজুড়ে ২৩ কোটি ৭৫ লাখ ১৭ হাজার ১২৮টি কমেন্ট সরানো হয়েছে, যা আগের প্রান্তিকের চেয়ে বেশি।
এছাড়া প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা বজায় রাখতে ৮ কোটি ৬২ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৫টি ভুয়া অ্যাকাউন্ট এবং ১৩ বছরের কম বয়সী ব্যবহারকারী সন্দেহে ২ কোটি ৫৭ লাখ ৬৪ হাজার ৩৭২টি অ্যাকাউন্ট মুছে দেওয়া হয়েছে।
টিকটক জানায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত মডারেশন সিস্টেমের কারণে কোনো ভিউ হওয়ার আগেই কনটেন্ট শনাক্তের হার অনেক বেড়েছে。 সরানো ভিডিওগুলোর মধ্যে সংবেদনশীল বিষয়বস্তু ১৮.৬%, ঝুঁকিপূর্ণ কার্যকলাপ ১৬.৫%, অশালীন আচরণ ১২.৯% এবং এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট ছিল ২.১%।
এ ইউ/














Discussion about this post