আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ ইরাক থেকে নিজেদের সব সেনা প্রত্যাহার করে নেবে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন সফররত ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর এই ঘোষণা দেন। এর মধ্য দিয়ে ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেন সরকারের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া অভিযানের পর থেকে দেশটিতে টানা ২৩ বছরের মার্কিন সামরিক উপস্থিতির অবসান ঘটতে যাচ্ছে।
হোয়াইট হাউসে ইরাকের প্রধানমন্ত্রীকে পাশে নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, ইরাকে মার্কিন সামরিক বাহিনী রাখার আর কোনো প্রয়োজন আছে বলে তারা মনে করেন না। এ সময় তিনি মার্কিন তেল কোম্পানিগুলোর সঙ্গে ইরাকের ক্রমবর্ধমান সুসম্পর্কের বিষয়টিও তুলে ধরেন। অন্যদিকে, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি নিশ্চিত করেছেন যে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মার্কিন সেনারা ইরাক ছাড়লেও যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো সেখানে তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।
এদিকে, মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে অভিযান শেষ করার লক্ষ্যে ২০২৪ সালে ইরাকের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তির প্রতি তারা সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ। ওই চুক্তি স্বাক্ষরের সময় ইরাকে প্রায় আড়াই হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল।
সেনা প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন চলমান ইরান যুদ্ধের মধ্যে ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং রাজধানী বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসে একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। উল্লেখ্য, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ ইতিপূর্বে মার্কিন ঘাঁটি ও কূটনৈতিক মিশনগুলোতে চালানো এসব হামলার দায় স্বীকার করেছিল।
সূত্র: আলজাজিরা
এস আই/














Discussion about this post