ভারতের দিল্লির ঐতিহাসিক যন্তর মন্তরে কোটাবিরোধী বিক্ষোভ থেকে বহু আন্দোলনকারীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সেখানে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটলে নিরাপত্তার স্বার্থে পুরো এলাকায় ব্যাপক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়।
সামাজিক মাধ্যম এনডিটিভির বরাতে জানা যায়, বিক্ষোভকারীরা ব্যানার, পোস্টার ও গেরুয়া পতাকা হাতে নিয়ে যন্তর মন্তরে সমবেত হন এবং জাতিভিত্তিক সংরক্ষণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে পুলিশ আন্দোলনকারীদের আটক করা শুরু করে, যাদের বড় একটি অংশ ছিল পুরুষ।
‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলন’ নামের একটি ইনস্টাগ্রাম পেজের আহ্বানে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। পেজটির অনুসারী সংখ্যা প্রায় ৫৬ লাখ। ২১ আগস্ট যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দেয়া হলেও দিল্লি পুলিশ স্পষ্ট জানায়, সেখানে সমাবেশ বা মিছিলের কোনো অনুমতি ছিল না। তবে রামলীলা ময়দানে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫০০ মানুষের শান্তিপূর্ণ সমাবেশের জন্য অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দিয়েছিল পুলিশের সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট ডিসিপির কার্যালয়। কিন্তু আন্দোলনকারীরা রামলীলা ময়দানের বদলে যন্তর মন্তরে ভিড় জমায়।
আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি- সরকারি সুবিধা, শিক্ষা ও কোচিং সহায়তার ক্ষেত্রে জাতিভিত্তিক কোটার বদলে প্রার্থীর অর্থনৈতিক অবস্থাকে প্রধান মানদণ্ড করা হোক। অখিল ভারতীয় ক্ষত্রিয় মহাসভার এক প্রতিনিধি জানান, জাতি পরিচয় নির্বিশেষে সমাজের যেকোনো দরিদ্র মানুষের সরকারি সহায়তা পাওয়া উচিত।
অন্যান্য বিক্ষোভকারীরা বর্তমান সংরক্ষণ ব্যবস্থার কার্যকারিতা পুনর্মূল্যায়নের দাবি তুলে বলেন, এই ব্যবস্থার সুফল প্রায়ই প্রকৃত বঞ্চিত মানুষের কাছে পৌঁছায় না। তাই এটি সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করছে কিনা, তা সরকারের খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
এ ইউ/














Discussion about this post