মালয়েশিয়ায় জাল পাসপোর্ট বিক্রির অভিযোগে এক বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। এ সময় এক ফিলিপাইন নাগরিককে আটক করা হয়। শুক্রবার (১০ মে) দেশটির রাজধানী কুয়ালালামপুরের কাজাং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
সোমবার (১৩ মে) দেশটির গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে এ তথ্য জানানো হয়।
মালয়েশিয়ার গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানানো হয়, বাংলাদেশি ও ফিলিপাইন প্রবাসীর সিন্ডিকেট দুই বছর ধরে পাসপোর্ট টেম্পারিংয়ের সাথে যুক্ত ছিল। যে সমস্ত প্রবাসীর পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় তাদের পাসপোর্টের প্রথম পাতা ছিঁড়ে সেটাকে পরিবর্তন করে মেয়াদ বাড়ানোর কাজ করেন তারা। এই সিন্ডিকেট জাল পাসপোর্ট করার জন্য জনপ্রতি এক হাজার থেকে এক হাজার ৫০০ রিঙ্গিত নিয়ে থাকে। জাল এ পাসপোর্টগুলো মূলত বিদেশি কর্মীদের মেডিক্যাল পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ সংস্থা (ফোমেমা) ছাড়পত্র পাওয়ার জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে আরো জানানো হয়, আটককৃত অপু ভাই ও ফিলিপাইন নাগরিকের ভিসার মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। তারা অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় বসবাস করছিলেন। আটকের সময় তাদের কাছে একটি কম্পিউটার এবং ২১১টি মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১৯৯টি বাংলাদেশের পাসপোর্ট ছিল।
আর বাকি ১২টি মধ্যে ভারত, ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়ার পাসপোর্ট। এ ছাড়া জাল কাগজপত্রসহ ৩১টি প্রথম পাতার শিট, ১৪৪টি ফোমেমা ফরম, নথিপত্র জাল করার বিভিন্ন সরঞ্জামসহ নগদ ১৬ হাজার রিঙ্গিত পাওয়া যায়।
এ এস/














Discussion about this post