চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে গোমূত্রের সম্ভাব্য কার্যকারিতা নিয়ে ভারতের আইআইটি রুরকির এক গবেষণা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গবেষকদের দাবি, গোমূত্রে থাকা কিছু বায়ো-অ্যাকটিভ যৌগ এডিস মশাবাহিত এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখতে পারে।
গবেষণাটি পরিচালনা করে IIT Roorkee-এর ডিপার্টমেন্ট অব বায়োসায়েন্সেস অ্যান্ড বায়ো-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একটি দল। তাদের নেতৃত্বে ছিলেন অধ্যাপক শৈলী তমরসহ কয়েকজন গবেষক। ফলাফলে দাবি করা হয়েছে, নির্দিষ্ট উপাদানের সঙ্গে গোমূত্র মিশিয়ে প্রয়োগ করলে রক্তে চিকুনগুনিয়ার ভাইরাল লেভেল উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে।
গবেষণা অনুযায়ী, গোমূত্রের সঙ্গে থাইমোকুইনোন বা পিপারাইনের মতো যৌগ যুক্ত করলে ভাইরাসের উপস্থিতি ৯০ শতাংশের বেশি এবং কিছু ক্ষেত্রে প্রায় ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এই গবেষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, এ ধরনের দাবি বাস্তব চিকিৎসা প্রয়োগের আগে আরও বিস্তৃত ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রয়োজন রয়েছে। তারা সতর্ক করেছেন যে, প্রাথমিক পর্যায়ের গবেষণার ফলাফলকে সরাসরি চিকিৎসা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
এর আগেও গোমূত্রের নানা স্বাস্থ্য উপকারিতা নিয়ে বিভিন্ন সময় বিতর্কিত দাবি উঠেছে। তবে অধিকাংশ চিকিৎসা বিজ্ঞানী এসব দাবির পক্ষে পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ না থাকার কথা উল্লেখ করে থাকেন।
এস আই/














Discussion about this post