যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের কোনো সরাসরি আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে দেশটি। তবে বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান হয়েছে, যেখানে পাকিস্তান–এর নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘেই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১৫ দফা পরিকল্পনাকে তেহরান ‘অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক’ হিসেবে দেখছে। তিনি জানান, আলোচ্য বিষয়গুলোতে ইরানের অবস্থান শুরু থেকেই স্পষ্ট এবং দেশটি নিজস্ব কাঠামোর ভিত্তিতেই এগোচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বাঘেই। তিনি বলেন, আমেরিকায় কতজন মানুষ তাদের কূটনৈতিক দাবিকে গুরুত্ব দেয়, তা নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে। ‘আমাদের অবস্থান শুরু থেকেই পরিষ্কার, কিন্তু অন্য পক্ষ বারবার অবস্থান পরিবর্তন করছে,’—যোগ করেন তিনি।
বাঘেই আরও জানান, ইরান তার প্রতিবেশী দেশগুলোকে শত্রু হিসেবে দেখে না; বরং তাদের সঙ্গে সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখে। তিনি বলেন, ইরানের সামরিক পদক্ষেপ কেবল সেইসব ঘাঁটি ও স্থাপনাকে লক্ষ্য করে, যেগুলো থেকে দেশটির ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ইরানের কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রয়েছে। সংঘাত থেকে দূরে থাকার জন্য কিছু আঞ্চলিক দেশকে ধন্যবাদও জানান তিনি।
এদিকে চলমান সংকটের সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধকে যুক্ত করার প্রচেষ্টার সমালোচনা করেন বাঘেই। বিশেষভাবে ভলোদিমির জেলেনস্কি–এর প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলোকে এই সংঘাতে জড়ানো উচিত নয়।
এস আই/














Discussion about this post