শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ৭১ ও ২৪-এর পরাজিত ও পতিত শক্তিগুলো একত্রিত হয়ে দেশের সার্বিক অগ্রগতি ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান।
সোমবার (২ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধার প্রতিবাদের আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, ‘আশুলিয়া ও মিরপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের যৌক্তিক আন্দোলনে শ্রমিক লীগের সন্ত্রাসীরা ঢুকে পরিবেশ ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি সরকার সম্পূর্ণ আন্তরিক এবং তা পূরণ করা হবে। কিন্তু এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পতিত শক্তিগুলো গাড়িতে আগুন দিচ্ছে এবং দেশে সন্ত্রাস সৃষ্টি করছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘ডিসেম্বরকে সামনে রেখে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাবিরোধী পতিত শক্তি এবং ২০২৪ সালের পতিত শক্তি একজোট হয়ে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি স্তব্ধ করার চক্রান্তে মেতেছে।’
আশুলিয়া ও মিরপুরের সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ড ও সহিংসতার কথা উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, “এসব অগ্নিসন্ত্রাসের দায় জামায়াতের আমির কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না। তাদের ‘সব তছনছ করে দেওয়ার’ হুমকিরই অংশ এটি।”
পিরোজপুরের ঘটনাটিকে একটি জাতীয় কলঙ্ক হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি অভিযোগ করেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবির সরাসরি বাধা সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দ্রুত বিচারের দাবি জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘৭১-এর স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি আজও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে টিকে রয়েছে এবং তাদের ষড়যন্ত্র এখনো থামেনি। জামায়াত এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের কথা বললেও তা কেবল লোক দেখানো, তদন্তের কোনো অগ্রগতি এখনো দৃশ্যমান নয়।’
দেশে সাম্য ও মানবিক মর্যাদা পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এই প্রতিবাদ ও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এ ইউ/














Discussion about this post