ভারতের মহারাষ্ট্রের দহিফালে পরিবার— গত ২০০ বছর ধরে এ পরিবারে যত শিশুর জন্ম হয়েছে তাদের সবাই ছিল ছেলে। এ কারণে একটি মেয়ে শিশুর জন্য অধীর আগ্রহে ছিলেন তারা। অবশেষে তাদের সেই স্বপ্ন পূরণ হয় ২০০ বছর ও পাঁচ প্রজন্ম পর। কয়েকদিন আগে তাদের পরিবারে জন্ম হয় প্রথম মেয়ে শিশুর।
যেহেতু শিশুটি তাদের জন্য ‘স্পেশাল’। তাই তারা তাকে রাজকীয় কায়দায় হাসপাতাল থেকে বাড়িতে নিয়ে আসে।
সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে গতকাল বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, মহারাষ্ট্রের বীদ এলাকার দহিফলে পরিবারে ওই মেয়ে শিশুটির জন্ম হওয়ার পর থেকেই তাদের মধ্যে আনন্দ কাজ করছিল। এরপর তারা সিদ্ধান্ত নেয় রাজকীয় অভ্যর্থনায় শিশুটিকে বাড়িতে নিয়ে আসবে।
গার্গি নামে এ শিশুটির দাদা লিমবাজি দাহিফলে অশ্রুসিক্ত চোখে বলেন, “পরিবারে একটি মেয়ে শিশু আসা আমাদের জন্য সৌভাগ্য। অনেক বছর ধরে মেয়ে না হওয়ায় আমাদের মধ্যে দুঃখ ছিল। কিন্তু সেই আশা এখন পূরণ হয়েছে।”
তিনি আরও বলেছেন, “আমি আমার দুই পুত্রবধূকে নিজের মেয়ের মতো দেখেছি। আজ নিজের নাতনিকে রাজকীয়ভাবে বাড়িতে আনতে পেরে আমি অনেক খুশি।”
রথের গাড়িতে ওই মেয়ে শিশু ও তার মা বসেছিল। এ সময় তাদের চারপাশে বাজছিল ব্যান্ড পার্টির বাঁশি ও ড্রাম।
শিশুটির দাদী সুরেখা বলেছেন, আমরা হাসপাতালেই সিদ্ধান্ত নেই তাকে রাজকীয়ভাবে বাড়িতে আনব। আমরা অনেক খুশি এই লক্ষ্মী আজ আমাদের বাড়িতে এসেছে।
গার্গির বাবা বলেছেন, “মানুষ সাধারণত ছেলে চায়। কিন্তু মেয়ের বাবা হওয়ার অনুভূতি আসলে অন্যরকম। মেয়েরা তাদের বাবাদের সঙ্গে আরও বেশি অনুরাগী থাকে। আমরা আমাদের মেয়েকে ফুলের মতো বড় করব।”
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
এ ইউ/














Discussion about this post