ভোলার মনপুরায় ফজরের নামাজ শেষে মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে এক শিক্ষক ও তাঁর বড় ভাইকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন জামায়াতের এক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আজ রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর মনপুরা ইউনিয়নের কাউয়ারটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার রাতে ফয়সাল হাওলাদার ও জামায়াত নেতা মিজানের মধ্যে রাজনৈতিক ব্যাপার নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে জামায়াতের উপজেলা শাখার সাবেক আমির মাওলানা রফিকুল ইসলামের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি সমাধান হয়েছে বলে জানা যায়।
অভিযুক্ত মিজান ১ নম্বর মনপুরা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর ওয়ার্ড সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সংগঠনটির একজন রুকন।
আহত ব্যক্তিদের ভাই তপু হাওলাদার বলেন, ফজরের নামাজের পর ফয়সাল হাওলাদার ও ফজলে লাভলু হাওলাদারকে মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে যান মিজানসহ সাত-আটজন। পরে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়।
আহত ফজলে লাভলু হাওলাদার মনপুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তাঁর বড় ভাই ফয়সাল হাওলাদার একটি কমিউনিটি ক্লিনিকে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) হিসেবে কর্মরত।
ফজলে লাভলু হাওলাদারের অভিযোগ, সুমন, মিজান, রিয়াদ, ফয়সাল, খোকন, অহিদ ও ইউসুফসহ আরও কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। এতে তাঁরা গুরুতর আহত হন।
অভিযোগের বিষয়ে জামায়াত নেতা মিজান বলেন, আগের রাতে ফয়সাল হাওলাদার জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন। এই নিয়ে সকালে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মারামারির ঘটনা ঘটে।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত করেছে। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ইউ/














Discussion about this post