‘যুদ্ধবিরতির সমাপ্তি যেন আবার যুদ্ধ বাড়ানোর কারণ না হয়’ বলে সতর্ক করেছেন ইরানি পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাই।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ইরানের আধা-সরকারি মেহের নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।
হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণসহ ইরানের অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন, অন্যথায় দেশটি মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে ‘পুনরায় যুদ্ধে লিপ্ত’ হবে বলে সতর্ক করেছেন রেজাই।
তিনি বলেন, যে সাময়িক অবকাশ (যুদ্ধবিরতির সময়) তৈরি হয়েছে, সেটিকে তারা (যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল) যেন আবার অশান্তি সৃষ্টি ও পুনরায় অস্ত্রসজ্জার জন্য ব্যবহার না করে।
অন্যদিকে স্থানীয় সময় সোমবার (১৩ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান থেকে ‘লোকজন’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, যা ইঙ্গিত করে যে তেহরান একটি সমঝোতা চায়।
ট্রাম্প বলেন, আমি বলতে পারি, অন্য পক্ষ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা একটি চুক্তি করতে চায়।
তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেননি কে কাকে ফোন করেছে, যুক্তরাষ্ট্র এর কী জবাব দিয়েছে, কিংবা ওই যোগাযোগে আর কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যেই মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে জাহাজ প্রবেশ বা প্রস্থান ঠেকাতে হরমুজ প্রণালী অবরোধ শুরু করেছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইসলামাবাদে আলোচনায় বসে, যা রোববার (১২ এপ্রিল) ভোরে কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এর ফলে, আগামী ২২ এপ্রিল বর্তমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হলে কী ঘটবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীতে নৌ অবরোধের ঘোষণা দেন। এ পদক্ষেপের পরপরই ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী সতর্কবার্তা দিয়ে জানায়, কোনো ধরনের শত্রুতামূলক পদক্ষেপের জবাবে তারা ‘জোরালো প্রতিক্রিয়া’ জানাবে।
সূত্র: দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন
এস আই/














Discussion about this post