২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলবে মোট ১৪টি দল। দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সহ-আয়োজক হিসেবে সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা পেয়েছে। বাকি দলগুলোর মধ্যে আটটি দল সরাসরি খেলবে আইসিসি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে। তবে আয়োজক জিম্বাবুয়ে র্যাঙ্কিংয়ের সেরা আটে না থাকায় সেরা নয়জনের মধ্যে থাকা একটি দলও সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে।
এই হিসাবেই বাংলাদেশের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ আছে ৯ নম্বরে। লিটন দাসের দলের রেটিং ৮৩। তাদের ঠিক পেছনে ১০ নম্বরে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের রেটিং ৭৭। অর্থাৎ দুই দলের মধ্যে ব্যবধান ৬ রেটিং পয়েন্ট।
বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে স্বস্তির বিষয়, ৩০ সেপ্টেম্বরের আগে তাদের আর কোনো ওয়ানডে নেই। ফলে এই সময়ে বাংলাদেশের রেটিং কমারও সুযোগ নেই, বাড়ারও সুযোগ নেই। অর্থাৎ নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ।
অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অন্তত নবম স্থানে উঠতে হবে সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার জন্য। ভারতের বিপক্ষে দুই ম্যাচে ভালো ফল করে রেটিংয়ে উন্নতি করা ক্যারিবীয়দের জন্য তাই বেশ কঠিন। এমনকি ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জিতলেও তাদের র্যাঙ্কিংয়ের সেরা আটে ওঠার সুযোগ নেই। বাংলাদেশের ৮৩ রেটিং টপকিয়ে নবম স্থান দখল করাও কার্যত অসম্ভব।
কারণ, বাংলাদেশের সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যবধান ৬ রেটিং পয়েন্ট। আর বাংলাদেশের সামনে এই সময়ে কোনো ম্যাচ না থাকায় সেই ব্যবধান কমিয়ে ফেলার জন্য ক্যারিবীয়দের হাতে সুযোগও খুব সীমিত।
পরিস্থিতি বদলাতে না পারলে টানা তৃতীয়বারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব খেলতে হতে পারে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব তাদের জন্য অবশ্য নতুন কিছু নয়। ২০১৯ ও ২০২৩ দুই আসরেই বাছাইপর্ব খেলতে হয়েছিল তাদের। ২০১৯ সালে বাছাই পেরিয়ে মূল পর্বে উঠেছিল ক্যারিবীয়রা। তবে ২০২৩ সালে সেই পথ পেরোতে পারেনি তারা।
জিম্বাবুয়েতে অনুষ্ঠিত সেই বাছাইপর্বের সুপার সিক্সে জিম্বাবুয়ে ও নেদারল্যান্ডসের কাছে হারের পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে পরাজয় তাদের বিশ্বকাপের স্বপ্ন শেষ করে দেয়। সেটিই ছিল বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবার, যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ মূল পর্বে জায়গা করতে ব্যর্থ হয়।
এ ইউ/














Discussion about this post