ভারতের তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারী জেলায় এক চুরির ঘটনা ঘটেছে। ইউটিউবে সোনা ও টাকার ভিডিও প্রচারের পর রাতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা প্রায় ৮০ ভরি সোনার গহনা নিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। চুরি যাওয়া গহনার আনুমানিক মূল্য প্রায় এক কোটি রুপি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মধুমিতার পুরোনো কিছু ভিডিও নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ভিডিওতে তাকে সোনার গহনা ও পরিবারের বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী দেখাতে দেখা যায়।
তবে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিও দেখেই চোরেরা বাড়িতে হামলা করেছে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত পুলিশের কোনো নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কীভাবে ঘটল চুরি
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মধুমিতা ও তার স্বামী বিনোদ কুমার বাড়ি থেকে বের হন।
রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে তারা বাড়িতে ফিরে আসেন। তখন সামনের দরজা খুলতে না পেরে তারা সন্দেহ করেন। পরে রাত ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে একজন কাঠমিস্ত্রিকে ডেকে আনা হয়।
তখন দেখা যায়, সামনের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। তবে বাড়ির পেছনের দরজা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়।
বাড়ির ভেতরে ঢুকে তারা দেখতে পান, একটি আলমারিতে রাখা সোনার গহনা নেই। এরপর বিষয়টি রাজাক্কামঙ্গলম থানায় জানানো হয়।
তদন্তে পুলিশের ছয়টি দল
ঘটনার খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ সুপার আনশুল নাগরও ঘটনাস্থলে যান।
চোরদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে ছয়টি বিশেষ দল কাজ করছে বলে জানা গেছে। এলাকার বিভিন্ন সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও সংগ্রহ করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে অন্যান্য আলামতও পরীক্ষা করছে।
পুরোনো ভিডিও ঘিরে আলোচনা
মধুমিতা তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরের একজন ইউটিউবার। তিনি মূলত জীবনযাপন, পরিবার, সোনার গহনা ও কেনাকাটা নিয়ে ভিডিও প্রকাশ করেন।
স্বামী বিনোদ কুমার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তারা প্রায় ১০ মাস আগে নাগেরকোইলের থাম্মাথু কোনামে একটি বাড়ি কিনে সেখানে বসবাস শুরু করেন।
মধুমিতার কয়েকটি পুরোনো ভিডিওতে পরিবারের সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী দেখানো হয়েছিল। এর মধ্যে একটি ভিডিওতে পূজার ঘরে রাখা সোনার গহনাও দেখা যায় বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে। চুরির খবর প্রকাশের পর এসব ভিডিও আবার ছড়িয়ে পড়েছে।
পুরোনো ভিডিওগুলো ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের মন্তব্য দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ অনলাইনে মূল্যবান সামগ্রী প্রদর্শনের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
এস আই/













Discussion about this post