মানুষ হত্যা বন্ধ না করলে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় সেনা পাঠিয়ে সশস্ত্র হামাস সদস্যদের হত্যা করার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে বিভিন্ন গোষ্ঠী ও ইসরায়েলি সহযোগীদের বিরুদ্ধে হত্যাযজ্ঞ চালালে হামাসের ওপর ইসরায়েলি হামলার অনুমোদন দেবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প।
ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসকে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্প আরও বলেন, হামাস গাজায় হত্যাযজ্ঞ চালালে তিনি তাদের ‘হত্যা করতে বাধ্য হবেন’। এদিকে, যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলে হামাসকে পরাস্ত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা ভূখণ্ডজুড়ে এখন ছড়িয়ে আছে কেবলই ধ্বংসস্তূপ। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, দুই বছরের অব্যাহত বোমাবর্ষণে প্রায় সাত কোটি টন ধ্বংসাবশেষ জমেছে, যা ১৩টি পিরামিডের সমান।
গাজার সরকারি গণমাধ্যম জানাচ্ছে, এই ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অসংখ্য মৃতদেহ এবং অবিস্ফোরিত বোমা রয়ে গেছে। এদিকে, হামাস ও ইসরায়েলি বাহিনীর যুদ্ধবিরতির মধ্যেও থামেনি তেল আবিবের হামলা। একদিনে নিহত হয়েছেন আরও কয়েকজন ফিলিস্তিনি।
ইসরায়েল লেবাননের বেকা উপত্যকা ও দক্ষিণাঞ্চলেও একাধিক বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। নেতানিয়াহু বাহিনী দাবি করেছে, এসব হামলায় হিজবুল্লাহর অস্ত্রভাণ্ডার ও ভূগর্ভস্থ অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন,যদি হামাস গাজায় মানুষ হত্যা অব্যাহত রাখে, যা চুক্তিতে ছিল না, তাহলে আমাদের সেখানে গিয়ে তাদের হত্যা করা ছাড়া আর কোনো উপায় বাকী থাকবে না। এই বিষয়ে আপনাদের মনোযোগের জন্য ধন্যবাদ!
সম্প্রতি সশস্ত্র হামাস ও ইসরায়েল-সমর্থিত স্থানীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে, যা ট্রাম্পের মন্তব্যের পটভূমি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলে হামাসকে পরাস্ত করার জন্য একটি ‘সমন্বিত সামরিক পরিকল্পনা’ প্রস্তুত করতে নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, গাজা যুদ্ধে ইসরায়েল তার সব লক্ষ্য অর্জন করবে এবং কেউ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুললে তাকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।
সূত্র: সিএনএন
এস এইচ/














Discussion about this post