জাতীয় সংসদে দেশের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ সময় অথর্মন্ত্রী খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন ব্যবস্থার কথা তুলে ধরেন।
সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে এনসিপির সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের (হাসনাত আবদুল্লাহ) প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তালিকা প্রকাশ করেন।
অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তালিকা অনুযায়ী শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানগুলো হলো এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লি., এস আলম ভেজিটেবল অয়েল লি., এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাজট্রিজ লি., এস আলম কোল্ড রোলেড স্ট্রিলস লি., সোনালী ট্রেডার্স, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লি., গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন লি., চেমন ইস্পাত লি., এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি প্রাইভেট লি., ইনফিনিট সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাজট্রিজ লি., কেয়া কসমেটিকস লি., দেশবন্ধু সুগার মিলস লি., পাওয়ার প্যাক মুতিয়ারা কেরাণীগঞ্জ পাওয়ার প্ল্যান্ট লি., পাওয়ার প্যাক মুতিয়ারা জামালপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট লি., প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লি., কর্ণফুলি ফুডস (প্রা.) লি., মুরাদ এন্টারপ্রাইজ, সিএলসি পাওয়ার কোম্পানি, বেক্সিমকো কমিউনিকেশনস লি. এবং রংধনু বিল্ডার্স (প্রা.) লিমিটেড।
এর আগে, হাসনাত আব্দুল্লাহ প্রশ্ন করেন, দেশে এই মুহূর্তে প্রকৃত খেলাপি ব্যাংকঋণের পরিমাণ কত, শীর্ষ ২০ খেলাপি কারা, খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে এবং সংসদ সদস্যদের ব্যাংকঋণ এবং খেলাপি ঋণের পরিমাণ কত।
এর জবাবে অর্থমন্ত্রী এই তালিকা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থিতিভিত্তিক ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। বতর্মান সংসদ সদস্য ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক এবং ফাইন্যান্স কোম্পানিতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক ৩ হাজার ৩৩০ কোটি ৮ লাখ টাকা খেলাপি হিসেবে দেখানো হয়নি।
এস আই/














Discussion about this post