ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের চলতি আসরের সেরা দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল স্টুটগার্টে। আকর্ষণীয় ওই দ্বৈরথে স্বাগতিক জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন।
একটি গোল করে এবং একটি করিয়ে লুইস ডি ফুয়েন্তের শিষ্যদের এই জয়ের নায়ক ডানি ওলমো। ৫১ মিনিটে তাঁর গোলেই এগিয়ে যায় স্পেন।
৮৯ মিনিটে ফ্লোরিয়ান ভাইরটস জার্মানির হয়ে সমতা ফেরালে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ত্রিশ মিনিটের অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের শেষ বেলায় মিকেল মেরিনোর গোল জার্মানিকে দর্শক বানিয়ে উত্সবে ভাসায় স্প্যানিশদের। ১১৯ তম মিনিটে ওলমের ক্রসে হেডে অসাধারণ গোল করেছেন মেরিনো।
স্টুটগার্টে স্বাগতিক সমর্থকদের স্তব্দ করে দিয়ে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কাঙ্খিত গোলটি পেয়ে যায় স্পেন।
লামিনে ইয়ামালের নিখুঁত ক্রসে বক্সের ভেতর থেকে বল জালে জড়িয়েছেন দানি ওলমো। প্রথম টিনএজার হিসাবে ইউরোর এক আসরে তিনটি অ্যাসিস্ট করলেন ইয়ামাল। গোল হজম করে সমতা ফেরাতে মরিয়া চেষ্টা চালায় জার্মানি। কিন্তু স্প্যানিশ গোলমুখে বারবার হানা দিয়েও গোল পাচ্ছিল না তারা।
স্প্যানিশ গোলরক্ষক দুর্দান্ত সেভ না করলে কাঙ্খিত গোলটিও হয়তো পেয়ে যেতো তারা। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া রবার্ট এন্ডরিখের শট দারুণ দক্ষণ আটকে দেন স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমন। খানিকটা পরে বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া নিকলাস ফুলক্রুগের শট ফিরে আসে বারে লেগে। সুযোগ কাজে লাগাতে পারছিলেন না জামাল মুসিয়ালা এবং কাই হাভার্টসও। ৮৯ মিনিটে আর বঞ্চিত হতে হয়নি জার্মানদের।
বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া ডান পায়ের শটে স্বাগতিক সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে ম্যাচটা অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে যান ( ১-১) বদলী খেলোয়াড় ফ্লোরিয়ান ভাইরটস।
অতিরিক্ত সময়েও গোলের সুযোগ তৈরি করে জার্মানরা। কিন্তু এগুলো কাজে লাগাতে পারেননি ভাইরটস-ফুলক্রগরা। উল্টা শেষ বেলায় গোল হজম করে নিজ দেশের আসরে দর্শক বনে যেতে হলো জার্মানদের। খেলার ১১৯ তম মিনিটে ওলমোর ক্রসে শূন্যে লাফিয়ে হেডে দুর্শণীয় গোল করে স্পেনকে সেমিফাইনালে পৌঁছে দেন মিকেল মেরিনো।
এ এস/














Discussion about this post