জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিচয় না পাওয়া ১১৮ জনের মরদেহ রায়েরবাজার করবস্থানে দাফন করা হয়েছিল। তার মধ্যে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে ৮ শহীদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ কথা জানান।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, রায়েরবাজার কবরস্থানে অনেককে সমাহিত করা হয়েছিল।
সেখান থেকে উত্তোলিত মরদেহগুলোর মধ্যে আটজনকে সফলভাবে শনাক্ত (আইডেন্টিফাই) করা হয়েছে। তাদের পরিবারকেও বিষয়টি এরই মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় খুব শিগগিরই বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবে।
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়ার পর রায়েরবাজার কবরস্থানে বেওয়ারিশ হিসেবে ১১৮টি মরদেহ দাফন করা হয়েছিল।
প্রেস সচিব বলেন, শহীদদের পরিচয় শনাক্ত করার এ জটিল কাজটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সম্পন্ন করা হচ্ছে। বসনিয়া যুদ্ধের সময় সেব্রেনিৎসায় ১০ হাজার মানুষকে হত্যার পর তাদের পরিচয় শনাক্ত করতে যারা কাজ করেছিলেন, সেই আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ দল বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। ডিএনএ স্যাম্পলের মাধ্যমে নিখুঁতভাবে পরিচয় শনাক্ত করতে দেশীয় কয়েকজন বিশেষজ্ঞকেও দক্ষ করে তোলা হয়েছে।
শফিকুল আলম বলেন, সেব্রেনিৎসার ঘটনার পর যেভাবে অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও বিস্তারিতভাবে মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছিল, বাংলাদেশেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে।
এটি অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ও কষ্টসাধ্য কাজ হলেও সরকার প্রতিটি শহীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।
এস এইচ/














Discussion about this post