রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ১০ জুলাইযোদ্ধাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ২টার পর থেকে তাদের ঢামেকে নেওয়া হয়।
আহতরা হলেন সিনথিয়া মিম, শফিকুল ইসলাম, শফিউল্লাহ, হাবিব উল্লাহ, তানভিরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, আতিকুল গাজী, রাকিব ও লাইলি।
আহত আতিকুল গাজী বলেন, আমার বাসা উত্তরা এলাকায়। আজ স্বাক্ষর হতে যাওয়া জুলাই সনদের প্রতিবাদ জানাতে আমরা মানিকমিয়া এভিনিউতে এসেছিলাম। সেখান থেকে পুলিশ আমাদের সরিয়ে দিতে লাঠিচার্জ করে। এলোপাতাড়ি লাঠির আঘাতে আমরা আহত হই।
তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে আমি ডান হাতে গুলিবিদ্ধ হই। পরবর্তীতে পঙ্গু হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করে আমার হাতটি কেটে ফেলা হয়। তারপরে ব্র্যাক আমাকে একটি কৃত্রিম হাত লাগিয়ে দেয়। এ হাত এখন আমি ব্যবহার করি। আজকে এ প্রতিবাদ জানাতে সংসদ ভবন এলাকাতে এসে অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশে পুলিশ বাহিনী আমাদের জুলাইযোদ্ধাদের ওপর আক্রমণ চালায়। জুলাইয়ে যেই জায়গাতে গুলি খেয়েছি, আজকে আবার সেই জায়গায় আঘাত করে তারা আমার কৃত্রিম হাতটা ভেঙে দিয়েছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, আহতদের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে তাদের অবস্থা গুরুতর নয়।
তিনি আরও বলেন, আহতদের সংখ্যা ধাপে ধাপে আরও বাড়তে পারে।
এর আগে, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ৫ শতাধিক বিক্ষুব্ধ আন্দোলনকারী নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চ এবং অতিথিদের জন্য নির্ধারিত স্থানে বসে পড়েন।
বিক্ষুব্ধদের অভিযোগ, সনদ প্রণয়নে তাদের পরামর্শ নেয়নি সরকার। একইসঙ্গে স্বীকৃতি না দিয়ে করা হয়েছে অবমূল্যায়ন। ঘোষণাপত্রের মতো এখানেও আইনিভিত্তি না থাকার অভিযোগ তাদের।
এস এইচ/














Discussion about this post