আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। শনিবার (৯ আগস্ট) বিকেলে তিনি এ কথা জানান।
এর আগে আজ সকালে রংপুরে সংবাদ সম্মেলনে সিইসি বলেছিলেন, বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো, আরও উন্নতির দিকে যাচ্ছে। আমরা চাই যাতে শান্তিপূর্ণ ও নির্ভয়ে মানুষ পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিতে পারেন। মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাওয়া ভুলে গেছে। তাদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়াই নির্বাচন কমিশনের চ্যালেঞ্জ। এজন্য সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে। আর এই সচেতনতা তৈরিতে সাংবাদিকদের ভূমিকা রয়েছে। আমরা সাংবাদিকদের কাছে সহযোগিতা চাই, পরামর্শ চাই।
অস্ত্রের চেয়ে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এআই: প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, অস্ত্রের চেয়ে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) এর ব্যবহার। এআই হচ্ছে বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার। সাংবাদিকদের আমরা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছি না, কারণ সাংবাদিকরা আমাদের পক্ষ। যারা প্রফেশনাল সাংবাদিক তারা আমাদের হয়ে কাজ করবেন, স্বচ্ছ ইলেকশনের জন্য কাজ করবেন এই প্রত্যাশা আমাদের আছে। কিন্তু যারা ফেসবুক দিয়ে সাংবাদিকতা করে, যাদের কোনো প্রশিক্ষণ নেই, দক্ষতা নেই তাদের নিয়ে আমাদের সমস্যা। কেননা তারা প্রধান উপদেষ্টা ও আমাকে নিয়ে নানা ধরনের ভিডিও বানিয়ে একটা লিখে দিয়ে ছেড়ে দেয়। অনেক মানুষ এসব বোঝে না।
সিইসি বলেন, নির্বাচন সিস্টেমের প্রতি, নির্বাচন কমিশনের প্রতি এবং নির্বাচন অনুষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও প্রশাসন মিলে যে একটা ভালো নির্বাচন করা সম্ভব এবং নির্বাচন কমিশনের প্রতি মানুষের হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব সেটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করাটাই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রধান চ্যালেঞ্জ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রংপুরে মাঠ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কমকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে তিনদিনের সফরে রংপুরে গেছেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন।
এস এইচ/














Discussion about this post