দীর্ঘদিন ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে নিজেদের সমুদ্র উপকূলেই যেতে পারেন না গাজার জেলেরা। সাধারণত মাছ ধরতে গেলেই ইসরায়েলি বাহিনী তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। তবে, গত সপ্তাহজুড়ে পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন ছিল।
ইসরায়েলি নৌবাহিনী যখন আন্তর্জাতিক জাহাজ বহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা প্রতিরোধে ব্যস্ত ছিল, সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করেছেন কিছু গাজাবাসী জেলে।
নৌবাহিনীর মনোযোগ অন্যদিকে ঘোরানো থাকায় এই জেলেরা তাদের জীবন বিপন্ন করে হলেও সাহস করে গাজা উপকূলে জাল ফেলতে সক্ষম হন। এই ঘটনা গাজাবাসীর জন্য একটি বিরল মুহূর্ত, যেখানে তারা সাময়িকভাবে হলেও নিজেদের সমুদ্রসম্পদ ব্যবহারের সুযোগ পেলেন।
মূলত, গাজায় ত্রাণ নিয়ে যাওয়া গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার গতিরোধ করেছে ইসরায়েল। ৪০টিরও বেশি নৌযানে গঠিত এই বহরে ছিলেন শতাধিক অধিকারকর্মী। তাদের আটক করার পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ ও বিশ্বনেতারা।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশ অমান্য করে হামাস যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়ার পরও গাজায় ফের হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা নিশ্চিত করেছে যে এই হামলায় অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছেন।
হামাস গতকাল শুক্রবার জানায়, তারা বন্দিদের মুক্তি দেওয়া এবং আলোচনা শুরু করার জন্য প্রস্তুত। তবে এই ইতিবাচক ঘোষণার পরও ইসরায়েলের বিমান হামলা ও গোলার আঘাতে গাজায় নিহতের তথ্য দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
গাজার জরুরি পরিষেবা সূত্রে জানা যায়, রাতের বেলা গাজা সিটিতে ইসরায়েল ডজনের বেশি বিমান ও আর্টিলারি হামলা চালায়। এতে অন্তত ২০টি বাড়ি ধ্বংস হয় এবং শিশুসহ বহু মানুষ হতাহত হন।
এস এইচ/














Discussion about this post