বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোলের দেখা পেয়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়লেন লামিন ইয়ামাল; দু হাত উঁচিয়ে স্মরণ করলেন সৃষ্টিকর্তাকে। গোলখরার হতাশাকে গোল বন্যায় বদলে দিয়ে আসরে প্রথম জয়ের দেখা পেল স্পেন।
খেলার শুরু থেকেই সৌদি আরবকে চেপে ধরে স্পেন। মুহুর্মুহু আক্রমণে ১০ মিনিটেই ভাঙে ডেডলক; ওয়ারসাবালের ক্রসে ইয়ামালের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে বল জড়ায় জালে। বিশ্বকাপে প্রথম গোল সৃষ্টিকর্তাকে কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুলেননি স্পেন তারকা।
সময় যত গড়ায় আক্রমণে ধার বাড়ায় স্পেন। ম্যাচের ২১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ওইয়ারসাবাল। এমেরিক লাপোর্ত মাথা ছোঁয়া বল ফাঁকায় পেয়ে ঠান্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে জালে জড়ান স্পেন ফরোয়ার্ড। ঠিক তিন মিনিট বাদে আবার সুযোগ; এবারও জাল কাঁপাতে ভোলেননি ওইয়ারসাবাল। ম্যাচের ২৪ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল হজম করে পুরোপুরি ব্যাকফুটে চলে যায় সৌদি আরব। পরে অসংখ্য সুযোগ সৃষ্টি হলেও কোনো গোল না হলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় দে লা ফুয়েন্তের দল।
বিরতির পরেই ব্যবধান বাড়ে স্পেনের; তবে এবার নিজেদের জালেই বল জড়ান সৌদি আরবের এক ডিফেন্ডার। ৪৯ মিনিটে মার্ক কুকুরেয়ার ভলি সৌদি গোলরক্ষক ফিরিয়ে দিলেও হাসান আল-তাম্বাক্তির গায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়।
এরপর কিছুটা গুছিয়ে খেলার চেষ্টা করে সৌদি আরব; প্রতিহত করে লা রোহাদের একের পর এক আক্রমণ। তবে কোনো গোলের দেখা না পেলে ৪-০ ব্যবধানে হার নিয়েই মাঠ ছাড়ে দলটা, আর বড় জয়ের দেখা পায় স্পেন। এই জয়ে দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে ‘এইচ’ গ্রুপের এক নম্বরে উঠেছে তারা।
এই ম্যাচে একেবারেই অনুজ্জ্বল ছিল সৌদি আরব। স্পেনের ৬৫% বল পজিশন আর ২১ শটের বিপরীতে তাদের শট মাত্র তিনটি। ইয়ামালরা যেখানে নয়টি শট টার্গেটে রেখেছে, সেখানে গ্রিন ফ্যালকনদের শট অন টার্গেট মাত্র একটি।
এম এইচ/














Discussion about this post