যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরাইলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে চীন, রাশিয়া ও ফ্রান্স। দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি বলেছেন, যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে ইরানের প্রথম শর্ত হলো— তাদের বিরুদ্ধে আর কোনো আগ্রাসন চালানো যাবে না।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের ওপর যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এরপর ইরান পালটা হামলা হিসেবে ইসরাইলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে।
এতে করে যুদ্ধটি পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ মঙ্গলবার ফ্লোরিডায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে খুব শিগগিরই যুদ্ধ বন্ধ হবে। যুদ্ধ কয়েকদিনের মধ্যেও থেমে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান র্যাপিডান এনার্জি গ্রুপের পরিসংখ্যান বলছে, চলমান এই সংঘাতের ফলে বিশ্বের আনুমানিক ২০ শতাংশ তেল সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। ১৯৫৬-৫৭ সালের সুয়েজ খাল সংকটের সময়ের রেকর্ডের তুলনায় এটি প্রায় দ্বিগুণ।
ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) একজন মুখপাত্র রোববার জানিয়েছেন, তেহরান এই অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটি ও ‘কৌশলগত স্বার্থের’ ওপর হামলা চালাতে তাদের সামরিক সক্ষমতার ৬০ শতাংশ ব্যবহার করছে।
সূত্র: আলজাজিরা
এম এইচ/














Discussion about this post