মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ে ম্যাকাই টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। শুরুতে ১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বড় ধরনের ধাক্কা খাওয়া সফরকারীরা শেষ পর্যন্ত নিজেদের সর্বনিম্ন টেস্ট স্কোরের লজ্জা এড়াতে পারলেও ব্যাটিং বিপর্যয় থেকে বের হতে পারেনি।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই স্টার্কের গতির সামনে অসহায় হয়ে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম তিন ব্যাটার সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত কোনো রান না করেই ফেরেন। এরপর মুমিনুল হক ৯ রান করে আউট হন। লিটন দাসও ডাক মারেন।
মাত্র ৬.৪ ওভারে ১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম ২২ বলের মধ্যেই ৫ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দেন স্টার্ক। এ সময় ৪ ওভারে ৩ মেডেনসহ মাত্র ৪ রান দিয়ে ফাইফার পূর্ণ করেন তিনি।
এরপর মুশফিকুর রহিমও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৪২ বলে ৫ রান করে ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে আউট হন তিনি। ২১ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। তাদের জুটিতে প্রথম সেশনের শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ পৌঁছায় ৩৫ রানে।
তবে লাঞ্চের পর সেই প্রতিরোধও বেশিক্ষণ টেকেনি। দ্বিতীয় সেশনে প্রথমবার বল হাতে নিয়ে মিরাজকে ১১ রানে ফিরিয়ে দেন প্যাট কামিন্স। পরের ওভারে জশ হ্যাজেলউডের শিকার হন হাসান মাহমুদ, তিনি করেন ১০ রান।
এরপর দ্রুতই শেষের দিকের ব্যাটারদের হারায় বাংলাদেশ। ৩৯ রানে নবম উইকেট পতনের পর নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সর্বনিম্ন ৪৩ রানে অলআউট হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে তাইজুল ইসলাম হ্যাজেলউডকে চার মেরে সেই লজ্জা এড়ান। শেষ পর্যন্ত ৬৪ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।
এই ম্যাচে বাংলাদেশ দলে একটি পরিবর্তন ছিল। ইনজুরি কাটিয়ে একাদশে ফিরেছেন শরিফুল ইসলাম। তিনি ইবাদত হোসেনের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন।
বাংলাদেশ একাদশ
সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ
ট্যাভিস হেড, ম্যাট রেনশ, মার্নাস লাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটরক্ষক), বেউ ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), মিচেল স্টার্ক, নাথান লায়ন, জশ হ্যাজেলউড।
এস আই/














Discussion about this post