বরগুনার বামনা উপজেলায় এক যুবককে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে ওই নারী পলাতক রয়েছেন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাতে উপজেলার অযোধ্যা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
নিহত যুবকের নাম সাইফুল ইসলাম (২৫)। তিনি অযোধ্যা গ্রামের স্বপন হাওলাদারের ছেলে। প্রায় দেড় বছর আগে একই গ্রামের সুমাইয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধ ও পরকীয়ার জেরে পরিকল্পিতভাবে সাইফুলকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর পর বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পরে তার স্ত্রী সুমাইয়া বাড়ি থেকে চলে যান বলে তাদের দাবি।
ঘটনার তদন্তে পুলিশ অভিযুক্ত স্ত্রীর মুঠোফোনের কল রেকর্ডের সূত্র ধরে বাচ্চু মোল্লা নামে স্থানীয় একটি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।
স্বজনদের ভাষ্য, শনিবার সকালে সাইফুলের দাদা আইয়ুব আলী বাড়িতে গিয়ে নাতি ও নাতবউকে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে এবং সুমাইয়াকে ঘরে দেখতে না পেয়ে তিনি ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় সাইফুলকে বিছানায় নিস্তেজ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তিনি চিৎকার দেন। পরে পরিবারের সদস্যরা এসে পুলিশকে খবর দেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত স্ত্রী সুমাইয়ার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি, কারণ ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে পুলিশ এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য জানায়নি।
বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন খান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। News
তিনি আরও জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এস আই/














Discussion about this post