অষ্টম থেকে একাদশ শতাব্দী, প্রায় তিনশ বছর ধরে ইউরোপজুড়ে ভয় আর বিস্ময়ের প্রতীক ছিল স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দুর্ধর্ষ সমুদ্রযোদ্ধা ভাইকিংরা। যুদ্ধকৌশল, অসাধারণ নৌ-চালনা, বাণিজ্য ও অভিযাত্রার মধ্য দিয়ে তারা গড়ে তুলেছিল এক অনন্য ইতিহাস। শতাব্দী পেরিয়ে সেই ভাইকিং ঐতিহ্যের প্রতিধ্বনি যেন আবারও শোনা যাচ্ছে ফুটবলের মঞ্চে। ২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নরওয়ে যেন নতুন করে ফিরিয়ে আনছে সেই গৌরবময় ভাইকিং চেতনা। ম্যাচ জয়ের পর ড্রামের তালে নৌকার বৈঠা বেয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রতীকী ‘ভাইকিং রো’ উদযাপনে যেন ফিরে আসে শতাব্দী প্রাচীন ভাইকিং ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি।
ইতিহাসের সেই গৌরবকে সঙ্গী করেই নরওয়ে এবার প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। তাদের ‘ভাইকিং রো’ পার করে ফেলেছে রাউন্ড অব থার্টি টু এর ঢেউ-ও। আইভরি কোস্টকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় তাদের সামনে এবার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় নিউজার্সি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দুদল। পরিসংখ্যান বলছে, দুদলের লড়াইয়ে এগিয়ে নরওয়ে। চারবারের দেখায় দুটিতে জয় পেয়েছে নরওয়ে বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। ১৯৮৮ ও ২০০৬ সালের আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ দুটি ১-১ গোলে ড্র হলেও ১৯৯৭ সালের প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়েছিল ভাইকিংরা।
এ ইউ/














Discussion about this post