চব্বিশ পরবর্তী নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় জয়। সরকার গঠন ১৭ ফেব্রুয়ারি। এরপর প্রথম ১৮০ দিনের পরীক্ষা। তাতে কোন মন্ত্রী কত নম্বর পেলেন তা নিয়ে এখন নানা পর্যায়ে আলোচনা।
মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজনের বক্তব্য-কর্মকাণ্ডে এরই মধ্যে বিব্রত সরকার। দেশজুড়ে হয়েছে সমালোচনাও। দলের দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, সাফল্য-ব্যর্থতার এই খতিয়ান নিয়ে শিগগিরই বসছেন সরকারপ্রধান। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কারা আছেন সেই হিসাব-নিকাশের খাতায়?
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, সবকিছু মিলিয়ে যারা যতটুকু পারফর্ম করতে পারার কথা ছিল তারা সেভাবে পারছেন কিনা এটা নিয়ে তো প্রশ্ন আছেই। একটা সময়সীমা তো প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঠিক করে দেয়াই হয়েছে। সে সময়সীমার মধ্যে এ পরীক্ষায় কারা কারা উত্তীর্ণ হতে পারবেন সেটা দেখার জন্য একটু অপেক্ষা করতে হবে।
শুধু কি মূল্যায়নেই শেষ হবে এই প্রক্রিয়া নাকি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের তালিকায় আসবে রদবদলও? সে প্রশ্নও ছিল এই বিএনপি নেতার কাছে।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, এই ১৮০ দিন হলো একটা প্রাইমারি পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আগামী ৫ বছর আমরা সরকারকে চালাব। যারা অভিজ্ঞ ও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তারা হয়তো থাকবেন। আবার যদি মনে করেন সে রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য নয়, তাহলে প্রধানমন্ত্রী চাইলে তার কাজের জন্য, দেশের জন্য, সুবিধার জন্য তাকে পরিবর্তন করতে পারেন।
তবে কে থাকবেন বা কে মন্ত্রিত্ব হারাবেন- শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত থাকবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ বিষয়ে বলেন, একটা সরকারের নির্বাহী প্রধান হচ্ছেন প্রাধানমন্ত্রী নিজেই। তিনি কখন সরকারের মন্ত্রিপরিষদ রিসাফল করবেন, রদবদল করবেন কিনা নাকি করবেন না- এটার প্রধানতম দায়িত্ব হচ্ছে তার।
১৮০ দিনের এই পরীক্ষা শুধু মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতার মূল্যায়ন নয়- সরকারের প্রতিশ্রুতি ও জনপ্রত্যাশার যোগ-বিয়োগের হিসাব, বলছেন বিএনপি নীতি-নির্ধারকেরাও।
এ ইউ/













Discussion about this post