পারিবারিক কলহের জেরে ৭ ও ৪ বছরের ২ সন্তানকে ঘুমন্ত অবস্থায় মেরে হাওরে ফেলে দেন বাবা। পুলিশের কাছে এমন স্বীকারোক্তি দিয়েছেন অভিযুক্ত বাবা। হত্যার পর মঙ্গলবার ও বুধবার দুই দিনে দুই উপজেলায় মুহাদ্দিস ও তুলনা নামের শিশু দুটির মরদেহ ‘দেখার হাওর’-এ ভেসে উঠলে এ ঘটনা জানাজানি হয়। মৃতদেহ উদ্ধারের পর আজ দুপুরে অভিযুক্ত বাবা কামরুলকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ছেলে-মেয়েকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন নিহত দুই শিশুর পিতা কামরুল। স্ত্রী ও মায়ের ঝগড়া-বিবাদে বিরক্ত হয়ে শুক্রবার (০৭ আগস্ট) বিকেলে চার সন্তানের মধ্যে বড় দুই সন্তানকে নিয়ে সিলেট চলে যান কামরুল।
ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালের বারান্দায় দুই দিন থাকার পর রবিবার (০৯ আগস্ট) রাতে সুনামগঞ্জ ফেরার পথে শান্তিগঞ্জ উপজেলার ডাবর পয়েন্টে প্রথমে ছোট মেয়ে তুলনাকে এবং পরে সদর উপজেলার মদনপুর পয়েন্টে বড় ছেলে মুহাদ্দিসকে ঘুমন্ত অবস্থায় মেরে দেখার হাওরে ফেলে দেন বাবা।
এক দিন পর মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) তুলনা ও বুধবার (১২ আগস্ট) মুহাদ্দিসের লাশ ভেসে ওঠার পর বাবাকে আটক করা হয়। বর্তমানে লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
এস আই/













Discussion about this post