তুরস্কের একটি মসজিদে আজানের সময় ঘটে যাওয়া এক হৃদয়স্পর্শী মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি দেখে নেটিজেনরা যেমন আবেগাপ্লুত হয়েছেন, তেমনই প্রশংসায় ভরিয়েছেন ইমাম সাহেবের আচরণকে।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায় মসজিদে নামাজের আগে আজান দিচ্ছিলেন একজন ইমাম। ঠিক সেই সময় হঠাৎ দৌড়ে এসে একটি বিড়াল এক লাফে তার কাঁধে উঠে বসে পড়ে। আকস্মিক এমন ঘটনায় যেকোনো মানুষ চমকে উঠতে পারেন, কিন্তু ইমাম সাহেব রইলেন পুরোপুরি শান্ত ও ধীরস্থির। কাঁধে বসে থাকা বিড়ালটি সরিয়ে দেওয়ার বদলে তিনি বরং ভালোবাসায় তার মাথায় হাত বুলিয়ে দেন এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে আজান চালিয়ে যেতে থাকেন।
ইমামের শান্ত আচরণে বিড়ালটিও স্থির হয়ে কাঁধে বসে থাকে। পরে জানা যায়, মসজিদটিতে নিয়মিত নামাজ পড়তে যাওয়া মুসুল্লিরা এই বিড়ালটিকে চেনেন। তাদের ভাষায়, এটি প্রায়ই মসজিদের ভেতরে ঢুকে সবার সঙ্গে খুনসুটি করে। তাই ঘটনাটি তাদের কাছে একদিক দিয়ে নতুন নয়, কিন্তু ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ায় তা বিশ্বজুড়ে মানুষের মন ছুঁয়ে গেছে।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায় মসজিদে নামাজের আগে আজান দিচ্ছিলেন একজন ইমাম। ঠিক সেই সময় হঠাৎ দৌড়ে এসে একটি বিড়াল এক লাফে তার কাঁধে উঠে বসে পড়ে। আকস্মিক এমন ঘটনায় যেকোনো মানুষ চমকে উঠতে পারেন, কিন্তু ইমাম সাহেব রইলেন পুরোপুরি শান্ত ও ধীরস্থির। কাঁধে বসে থাকা বিড়ালটি সরিয়ে দেওয়ার বদলে তিনি বরং ভালোবাসায় তার মাথায় হাত বুলিয়ে দেন এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে আজান চালিয়ে যেতে থাকেন।
ইমামের শান্ত আচরণে বিড়ালটিও স্থির হয়ে কাঁধে বসে থাকে। পরে জানা যায়, মসজিদটিতে নিয়মিত নামাজ পড়তে যাওয়া মুসুল্লিরা এই বিড়ালটিকে চেনেন। তাদের ভাষায়, এটি প্রায়ই মসজিদের ভেতরে ঢুকে সবার সঙ্গে খুনসুটি করে। তাই ঘটনাটি তাদের কাছে একদিক দিয়ে নতুন নয়, কিন্তু ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ায় তা বিশ্বজুড়ে মানুষের মন ছুঁয়ে গেছে।
ভিডিওটির নিচে হাজারো মন্তব্যে নেটিজেনরা লিখেছেন ইতিবাচক নানা বার্তা। একজন মন্তব্যকারী লিখেছেন,সহনশীলতা ও একসঙ্গে থাকার এমন দৃশ্য আমাদের মনকে বিশেষভাবে ছুঁয়ে যায়।
আরেকজন লিখেছেন, আজানের মাঝে বিড়ালটির কোমল উপস্থিতি শান্তির ভিন্ন মাত্রা এনে দিয়েছে।” অনেকেই জানিয়েছেন, এই ভিডিও তাদের মানসিকভাবে স্বস্তি দিয়েছে।
মানুষ ও প্রাণীর সহাবস্থানের এমন সুন্দর, কোমল এক মুহূর্তই যেন মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভালোবাসা ছড়িয়ে দিয়েছে।














Discussion about this post