ইরানের সেনাবাহিনী নতুন করে তৈরি অত্যাধুনিক আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক সমরাস্ত্রের বড় ধরনের মজুদ গড়ে তুলেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সেনামুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া। এসব অস্ত্রের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আকরামিনিয়া এ কথা বলেন। তাঁর বক্তব্যের বরাতে ইরানি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ৪০ দিনের যুদ্ধে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম তৈরির কার্যক্রম একদিনের জন্যও বন্ধ হয়নি।
আকরামিনিয়া বলেন, যুদ্ধের সময় দেশীয়ভাবে অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন অব্যাহত ছিল। একই সঙ্গে নতুন অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করা হয়েছে এবং সেগুলো দ্রুত বাহিনীতে যুক্ত করা হয়েছে। যুদ্ধের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে অস্ত্রের সক্ষমতা ও কার্যকারিতাও বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ইরানি সেনামুখপাত্র আরও বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাতের মাধ্যমে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী প্রতিপক্ষের সক্ষমতা ও মোতায়েনের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করতে পেরেছে। এসব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সামরিক সক্ষমতা আরও জোরদার করা হচ্ছে।
এর আগে ইরানি সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও পুনর্গঠনের পাশাপাশি নতুন সরঞ্জামও বাহিনীতে যুক্ত করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধপ্রস্তুতি বজায় রাখার অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন আকরামিনিয়া।
তবে ইরানের কাছে থাকা আধুনিক অস্ত্রের মজুদের প্রকৃত পরিমাণ বা এসব দাবির সামরিক সক্ষমতার ওপর বাস্তব প্রভাব স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সূত্র: প্রেস টিভি, গালফ নিউজ
এস আই/














Discussion about this post