চিরবিদায়ের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত এই নেতার কফিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তেহরানের একটি মসজিদে পৌঁছেছে। সেখানে শীর্ষ কর্মকর্তারা তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
এদিকে আলী খামেনির মরদেহ বহনকারী কফিনটি কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়া ঠিক সেই স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যেখানে তাকে হত্যা করা হয়েছিল। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিং’ (আইআরআইবি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল-মার্কিন হামলায় নিহত হন খামেনি। তার স্মরণে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইতিহাসের অন্যতম বড় জানাজা। আল জাজিরার খবর অনুযায়ী, শনিবার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা চত্বরে জানাজা শুরু হবে।
সোমবার তেহরানের রাস্তায় বের হবে বিশাল মিছিল। এরপর মিছিলটি ৭ জুলাই পবিত্র শহর কোম হয়ে ইরাকের নজফ ও কারবালায় যাবে। আগামী ৯ জুলাই খামেনির নিজ শহর মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।
এই দীর্ঘ ছয় দিনের আয়োজনে প্রায় দেড় থেকে দুই কোটি মানুষ অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তাই পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। ভারত, রাশিয়া, চীনসহ ৩০টির বেশি দেশের প্রতিনিধি এবং ১০০টি দেশের ধর্মীয় নেতারা এতে যোগ দেবেন।
ইতোমধ্যে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি ইরানে পৌঁছেছেন। তিনি ইরানকে পাকিস্তানের ‘দ্বিতীয় বাড়ি’ বলেছেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও এই জানাজায় অংশ নেবেন। খামেনির মৃত্যুতে পাকিস্তানে হওয়া বিক্ষোভে অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছিলেন।
এদিকে, যুদ্ধ শুরুর পর বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে এসেছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার আহমদ ওয়াহিদি।
এস আই/














Discussion about this post