বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, জনগণের কষ্ট কমাতে এবং দেশের পরিস্থিতি উন্নত করতে তারেক রহমান দেশে ফিরছেন।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর পূর্বাচলে ৩০০ ফিট এলাকায় প্রস্তুত হওয়া সংবর্ধনা মঞ্চ পরিদর্শন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘তারেক রহমানের সংবর্ধনায় কত মানুষ আসবে, তা অনুমান করা সম্ভব নয়। এটি অনেক বড় পরিসরে হবে, সম্ভবত ধারণার বাইরে। পৃথিবীর বড় বড় নেতাদেরও নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে, যা স্বাভাবিক বিষয়। সরকারকে সহায়তার জন্য ইতোমধ্যে বিএনপি পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।’
তারেক রহমানের দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বিএনপির মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে বলে মনে করছেন দলের নেতাকর্মীরা। ২০০৮ সালে ওয়ান-ইলেভেনের পর তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয় এবং তিনি সপরিবারে যুক্তরাজ্যে চলে যান। তখন থেকে তিনি সেখানেই ছিলেন। তবে দীর্ঘ সময় পর, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফিরছেন।
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে রাজধানীসহ সারাদেশ থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় জড়ো হয়েছেন। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তিনি প্রথমে তার অসুস্থ মা বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে এভার কেয়ার হাসপাতালে যাবেন। এরপর তিনি পূর্বাচলের সংবর্ধনায় যোগ দেবেন এবং নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেবেন।
এই অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিএনপি তার নেতার ফিরে আসাকে ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে উদযাপন করছে।
এম এইচ/














Discussion about this post