বরিশালের বানারীপাড়ায় জন্মনিবন্ধনের ভুল সংশোধনের কথা বলে এক শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মো. মোরশেদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৯ আগস্ট) তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। তাকে চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার বিকালে মোরশেদকে তার বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে স্থানীয়রা গণধোলাই দেন। পরে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে।
অভিযুক্ত শিক্ষক এর আগেও খুলনার একটি হোটেলে এক সহকারী শিক্ষিকাকে নিয়ে রাতযাপনকালে স্ত্রীর হাতে ধরা পড়েছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল।
এদিকে মোরশেদের বিরুদ্ধে মামলার খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তানিয়া রহমান বুধবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খগোপতি রায়কে বিষয়টি অবহিত করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খগোপতি রায় বলেন, ওই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা সংক্রান্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধিমোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার ওই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. মোরশেদ জন্মনিবন্ধনের ভুল সংশোধনের কথা বলে এক শিক্ষার্থীর মাকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত শিক্ষক মোরশেদকে আটক করে।
সূত্র: যুগান্তর
এস আই/














Discussion about this post