কুমিল্লার দেবিদ্বারে ছেলের দা’র কোপে মা ও আট মাস বয়সী ভাতিজিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে৷ এ সময় বাধা দিতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন অভিযুক্তের বড় ভাবি রাবেয়া বেগম। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দেবিদ্বার উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ওই গ্রামের মৃত ফরিদ মিয়ার স্ত্রী পেয়ারা বেগম (৬২) এবং তার আট মাস বয়সী নাতনি (অভিযুক্তের ভাতিজি)। শিশুটির নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি। অভিযুক্ত ছেলের নাম ইমন (২৪)।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. শামীম আহসান জানান, সকালে ওই বাড়ি থেকে চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে গিয়ে দেখতে পান ঘরের মেঝেতে মা পেয়ারা বেগম এবং খাটের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় আট মাস বয়সী শিশুটির নিথর দেহ পড়ে রয়েছে। এ সময় স্থানীয় জনতা ধাওয়া দিয়ে ইমনকে ধরে ঘরের ভেতর আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন। তবে হামলার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি স্থানীয়রা।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত তরুণ ইমনকে আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে ছেলেটি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন।’
তিনি আরও জানান, জোড়া খুনের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এ ইউ/














Discussion about this post