দেশব্যাপী পুলিশের কার্যক্রম প্রায় স্বাভাবিক হয়ে এসেছে।অন্তর্বর্তী সরকারের আলটিমেটাম শেষ হলেও কাজে যোগ দেননি আলোচিত ১৫ পুলিশ কর্মকর্তা। কয়েকজনের কক্ষের দরজায় ঝুলছে তালা। আবার কারও কারও কক্ষ খোলা পাওয়া গেলেও নেই চেয়ার-টেবিল। এ অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে-সেই পুলিশ কর্মকর্তারা এখন কোথায়? এ কর্মকর্তারা বাদেও বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া বেশ কয়েকজনেরও খোঁজ মিলছে না।
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘কারা কারা এখনো কাজে যোগ দেননি তার প্রকৃত হিসাব এ মুহূর্তে নেই। তবে বেশির ভাগই কাজে যোগ দিয়েছেন। কিছু কিছু আছেন যারা ছুটিতে, কেউ আহত হয়ে চিকিৎসাধীন। এরপর কোনো কারণ ছাড়াই যারা অনুপস্থিত তাদের কাছে অবশ্যই আমরা কৈফিয়ত তলব করব।’
ডিএমপিসূত্র বলছে, যে পুলিশ কর্মকর্তারা এখনো কাজে যোগ দেননি তাদের মধ্যে আলোচিতরা হলেন অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) হারুন অর রশীদ, অতিরিক্ত কমিশনার হাফিজ আক্তার, অতিরিক্ত কমিশনার (কাউন্টার টেররিজম) মো. আসাদুজ্জামান, যুগ্মকমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, যুগ্মকমিশনার (ডিবি) খন্দকার নুরন্নবী, সনজিত কুমার রায়, যুগ্মকমিশনার (ট্রাফিক দক্ষিণ) মেহেদি হাসান, যুগ্মকমিশনার (ট্রাফিক উত্তর) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, যুগ্মকমিশনার (ক্রাইম) লিটন কুমার সাহা, যুগ্মকমিশনার (লজিস্টিক) জায়েদুল আলম, যুগ্মকমিশনার (সাইবার সিকিউরিটি ও সাপোর্ট সেন্টার-উত্তর) আশরাফ হোসেন, যুগ্মকমিশনার (সাইবার সিকিউরিটি ও সাপোর্ট সেন্টার-দক্ষিণ) মো. শহিদুল্লাহ, যুগ্মকমিশনার (ট্রান্সপোর্ট) এ বি এম মাসুদ হোসেন, উপকমিশনার (উত্তরা) কাজী আশরাফুল আজীম এবং পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার সাহা। এদের বেশিরভাগের কক্ষেই তালা ঝুলছে। অনেকের ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডিএমপি সদর দপ্তরের ক্রাইম বিভাগ, প্রশাসন বিভাগসহ দু-একটি ইউনিটের সদস্যরা পুরোদমে অফিস করছেন। এছাড়া থানাগুলোয় ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত পুলিশ সদস্য কাজে যোগ দিয়েছেন।
এস এম/














Discussion about this post